থাইল্যান্ডে আমার ভ্রমণ কাহিনী…
1 min read

থাইল্যান্ডে আমার ভ্রমণ কাহিনী…

দারুন একটি দেশ। খরচ তুলনামূলক অনেক কম মনে হয়েছে আমার কাছে।
অনেক কিছুই বাংলাদেশের থেকেও কম দাম যদি আপনি কোয়ালিটির দিক বিবেচনা করেন।
প্রধান ধর্ম হলো বৌদ্ব। তাই খুব বেশি শুকর ও অন্যান্য খাবারদাবার বেশি। খাবার দাবারের দিক আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। তারা ইংরেজী খুব ভালো বুঝে না। বিশেষ কিছু যায়গা বা হোটেল ছাড়া এভারেজ জনগন ইংরেজী বুঝতেই পারে না। তাই আপনাকে ভ্রমন অভিজ্ঞতা দিয়ে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে হবে। থাইল্যান্ডে শহরকেন্দ্রীক ও সমুদ্রতীরবর্তী উভয় সৌন্দর্য বিদ্যমান। ব্যাংকক শহরটি আমার কাছে এতোই ভালো লেগেছে যে, আমার সেকেন্ড হোম হিসাবে থাইল্যান্ডকে বেছে নিতে ইচ্ছে হচ্ছে আমার।

আরো কিছু তথ্য দিচ্ছিঃ
Area: 513,120 km²
Population: 6.8 Crore
Uber: Available
Religion: Buddhism
Weather Average: 28 Degree

থাইল্যান্ড ভ্রমণ অভিজ্ঞতাঃ
বিমানবন্দরে পৌছালাম ৩ ঘন্টা পর পৌছালাম ব্যাংকক এর সুবর্নভূমি এয়ারপোর্টে। আপাতত স্বস্তি কাজ করছে।
সেখানে গিয়ে আমি প্রথমে এয়ারপোর্টের হোটেল থেকে ঠান্ডা মাথায় খেয়ে নিলাম। পেট শান্তি তো জগৎ শান্তি।
হে আল্লাহ! কি দারুন পরিবেশ! আমি অভিভূত। মন ভোলানো বাতাস। বাতাসে যেনো কেউ ফুলের ঘ্রান স্প্রে করে রেখেছে। অথচ সবই প্রাকৃতিক ঘ্রান।
শুধু আমি কেনো, পৃথিবীর যে কেউ এই পরিবেশ পেলে আর কোথাও যেতে চাইবে না। আমার জীবনে পাওয়া অন্যতম শ্রেষ্ট পরিবেশ।

থাইল্যান্ড এর টাইগার পার্ক
পরদিন ঘুম থেকে উঠেই উবার দিয়ে গেলাম পাতায়া টাইগার পার্কে। দারুন একটি জায়গা। ভালো লাগার মতো। অনেক অনেক বাঘ আছে এখানে।
টাইগার পার্ক থেকে গেলাম পাতায়া শুটিং পার্কে। শুটিং পাকং জায়গাটি এতোই সুন্দর যে, আমি আপনাকে ব্যাখ্যা করতে পারবো না। আমি অনাআসেই কয়েক যুগ কাটিয়ে দিতে পারবো এতো সুন্দর পরিবেশে। গিয়ে নাইন এম এম পিস্তল ও এস এমজি দিয়ে শুটিং করলাম। দিন শেষ হয়ে গেলো দেখতে দেখতেই। তার মাঝখানে আবার তাদের ফ্লোটিং মার্কেটটি দেখে নিলাম। তার পরদিন বিশ্রাম নিলাম।

রাতে একটি বাংলাদেশী হোটেল থেকে ডিনার করে ঘুমিয়ে পরলাম। পরদিন সকাল ৯ টায় পৌছালাম এটা শহর নয়।
একটু গ্রামের হাতছানি আছে এখানে। সাড়াদিন ভ্রমনে বেশ ক্লান্ত আমি। বিশ্রাম নিলাম। পরদিন গেলাম বীচ ভ্রমনের জন্য।

ফুকেট এর কিছু বিখ্যাত আইল্যান্ড এ যাওয়ার জন্য ফি ফি আইল্যান্ড, মায়া বে ও আরো বেশ কয়েকটা বিখ্যাত আইল্যান্ড। সেখানে আমি স্নোর্কলিংয়ে গিয়ে প্রচুর মাছ দেখেছিলাম। আমার জীবনে এতো মাছ আমি দেখিনি আগে। তার পর দিন আমি তাদের একটি হাসপাতালে গেলাম আমার কাশির জন্য চিকিৎসা নিতে। বেশ দারুন তাদের হসপিটালের সিষ্টেম। আমার ভালো লাগলো খুব।

সেদিনই বিকাল ৪ টায় থাই এয়ারওয়েজ দিয়ে ব্যাংকক গেলাম মাত্র ১ ঘন্টা ১৫ মিনিটে।
তার পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যাংকক থেকে বাংলাদেশে চলে আসি। সর্বমোট ৮ দিনের এ টূর ছিলো অবিস্মরনীয়।

ভুলার মতো নয় এইসব স্তৃতি। থাইল্যান্ড ইজ অসাম। বিশেষ করে ব্যাংকক আমার এতো ভালো লেগেছে যা আমি বলে বুঝাতে পারবো না।
আসার সময় আমি থাই এয়ারওয়েজ এ আসি।

আমি যে যে জায়গায় গিয়েছিলাম তাদের নাম যথাক্রমেঃ
Pattaya Tiger Park
Pattaya Main City Tour
Pattaya Shooting Park
Pattaya Floating Market
Phuket Phi Phi lsiand, Maya Bay Island
Bangkok City Tour

এই হলো আমার থাইল্যান্ড ভ্রমন। আমার জীবনের স্বরনীয় হয়ে থাকবে এই ভ্রমনটি।

আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।